সুপারি চাষ পদ্ধতি, সুপারি সার প্রয়োগ পদ্ধতি ও গাছ লাগানোর নিয়ম

সুপারি চাষ পদ্ধতি যেন এখন সবার কাছে গুরুত্ব হয়ে উঠেছে। বর্তমানে বহুল লাভজনক ফসলের মধ্যে সুপারি অন্যতম একটা স্থান তৈরী করে নিয়েছে।  অনেকে সুপারি চাষ পদ্ধতি বা চাষের পরিকল্পনা করতেছেন কিন্তু সঠিক পরামর্শ ও নিয়ম না জানার কারণে সুপারি চাষ পদ্ধতিতে এগোতে পারতেছেন না।  আপনাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেল। 

আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সুপারি চাষ পদ্ধতির একদম খুঁটি-নাটি। এছাড়াও, জানতে পারবেন হাইব্রিড সুপারি চাষ পদ্ধতি, বারোমাসি সুপারি চাষ পদ্ধতি, সুপারি গাছে সার প্রয়োগ পদ্ধতি, সুপারি গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়, সুপারি গাছ লাগানোর দূরত্ব, খাটো জাতের সুপারি গাছ, সুপারি রাখার পদ্ধতি, ভিয়েতনাম সুপারি চাষ পদ্ধতি, সুপারি গাছ লাগানোর নিয়ম সম্পর্কে A to Z . 

সুপারি চাষ পদ্ধতি

সুপারি চাষ পদ্ধতি

আসুন আমরা সুপারি চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ও সঠিক নিয়ম জানি। এই নিয়ম জানলে আপনার গাছ দ্রুত বেড়ে উঠবে এবং পুষ্টিও পাবে, সাথে ফলনও বৃদ্ধি পাবে। 

১. উত্তম মাটির নির্বাচন: 

  • নাজুক নয়, মাঝারি থেকে ভারি–মাটির জমি (Clay loam / Silty clay loam) সুপারি চাষের জন্য সবচেয়ে ভালো হয়।
  • পানি ধারণ ক্ষমতা ভালো, কিন্তু পানি সবসময় জমে থাকে না এমন মাটির জায়গা বেছে নিন।
  • এছাড়াও, মাটির pH মান 5.5–7.5 এর মধ্যে হলে উত্তম হয়।

মনে রাখবেন, খুব বালুময় বা একদম ভারী কাদাযুক্ত জমিতে সুপারির ফলন কম হয়।

২. উপযুক্ত এলাকা: 

  • ছায়া/সূর্যের ভারসাম্য: সুপারি গাছে সূর্যের আলো দরকার ,তাই দিনে কম আয়তনে ৪–৬ ঘন্টা সরাসরি সূর্যের আলো উত্তম।
  • জলাবদ্ধতা হ্রাস: জমিতে পানি জমে থাকে না এমন জমি হওয়া আবশ্যক। নিচু জমি হলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করুন, জাতে পানি জমে না থাকে । 

৩। উত্তম চারা বাছাই: 

  • চারা কেনার ধরন: ভালো nursery থেকে ১ বছরের সুস্থ চারা নিন (চারা 3–4 ফুট লম্বা হতে হবে)।
  • গাছের গোড়ায় কোনো রোগ/দাগ থাকলে নেবেন না।

চারা দেখে যাচাই করুণ:

  • গাছের বেইজ ডান্ডা (stem) সোজা, কোনও ফাটল/ঘা নেই।
  • পাতা সবুজ, কিঞ্চিৎ ফ্যাকাশে/চিটচিটে নয়।
  • মূলসহ (root system) ভালো (মাটির দলে ফাটল কম)।

সুপারি গাছ লাগানোর নিয়ম

ছোট অবস্থায় সুপারি গাছ তীব্র বাতাস এবং প্রখর সূর্যের তাপ সহ্য করতে পারে না। কাজেই সুপারির চারা মাঠে লাগানোর আগেআপনাকে ছায়া প্রদানকারী গাছ রোপণ করতে হবে। সাধারণত, সুপারির চারা মাদা তৈরি করে লাগানো হয়। 

মাদার আকার হতে হবে ৭০ সেমি. x ৭০ সেমি. x ৭০ সেমি। মাদা তৈরি করার সময় উপরের মাটি একদিকে এবং নিচের মাটি অন্যদিকে আলাদা-আলাদা করে রাখতে হবে। আর, গর্তের ভেতরটাকোনো শুকনো পাতা বা খড় এসব দিয়ে ভরাট করে আগুনে পুড়িয়ে দিলে গর্তটা শোধন হয়ে যাবে।

প্রতিটি গর্তের জন্যে প্রায় ১০ কেজির মতো পচা গোবর সার বা কম্পোস্ট এবং ১ কেজি খৈল গর্তের  ঠিক উপরের অর্ধেক মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে গর্তের তিন-চতুর্থাংশ জায়গা জুড়ে ঐ মাটি দ্বারা সুন্দরকরে ভরে ফেলতে হবে। 

সাধারণত মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সুপারি চাষের জন্য সুপারি চারা লাগানো যায়। তবে জুন থেকে জুলাই মাস সুপারির চারা রোপণের জন্য উত্তম সময়।

সুপারি গাছ লাগানোর দূরত্ব

সুপারি গাছ লাগানোর দূরত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনি অবস্যই নিয়ম মেনে গাছ লাগাবেন, তাহলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে গাছ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভনা কম থাকবে আর গাছগুলো ভালো পুষ্টি পাবে আর দ্রুত বেড়ে উঠবে।  

মাদার দূরত্ব অর্থাৎ চারার দূরত্ব বর্গাকার পদ্ধতিতে ৪ হাত এবং আয়াতাকার পদ্ধতিতে প্রতি চারার লাইন থেকে লাইন ৮ হাত এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ৪ হাত।

সুপারি গাছে সার প্রয়োগ পদ্ধতি

সুপারি চাষ পদ্ধিতে সুপারির বেশি বেশি ফলন পেতে রাসায়নিক সার ২ ভাগে ভাগ করে বছরে ২ বার গাছের একদম গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।  মনে রাখবেন, প্রথমবার সেপ্টেম্বর মাসে এবং ২য় বার ফেব্রুয়ারি মাসে।

সুপারি গাছ থেকে বেশি ফলন পেতে গাছের বয়স এক বছর হলেই প্রতি গাছের জন্য ২০০ গ্রাম ইউরিয়া, ১০০ গ্রাম টিএসপি এবং ১০০ গ্রাম এমওপি সার ২ ভাগ করে এক ভাগ বৈশাখ থেকে জৈষ্ঠ মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

আর, বাকি অর্ধেক সার ভাদ্র থেকে আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে।এরপর, গাছের বয়স ২ বছর হলে তখন ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া, ২০০ গ্রাম টিএসপি এবং ২০০ গ্রাম এমওপি একই ভাবে দুইভাগ করে একভাগ শুস্ক মৌসুমে অপর অংশ বর্ষাকালে প্রয়োগ করতে হবে।

পরবর্তীতে, গাছের বয়স ৩ বছর হলে ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি এবং ২৫০ গ্রাম এমওপি সার একইভাবে দুই কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। গাছের বয়স ৪ থেকে ১০ বছর হলে তখন ৬০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০০ গ্রাম টিএসপি এবং ৩০০ গ্রাম এমওপি সার অনুরূপভাবে প্রয়োগ করতে হবে। দেখবেন বাম্পার ফলন হতে থাকবে, আর আপনি নিজেও সুপারি চাষ পদ্ধতিতে অবাক হয়ে যাবেন এতো ফলন দেখে।

সুপারি গাছে মুচি আসার আগে অর্থাৎ মধ্য চৈত্র থেকে বৈশাখ মাসের মাঝ সময়ে এর মধ্যে গাছের গোড়ার চারিদিকে ২ ফুট দুরত্বে এক ফুট চওড়া ও ৬ ইঞ্চি গভীর করে মাটি সরিয়ে ফেলতে হবে। 

এরপরে,ওই মাটির সাথে ৭০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৫০০ গ্রাম টিএসপি, ৮০০ গ্রাম এমওপি, ৩০০ গ্রাম জিপসাম এবং ১০০ গ্রাম জিংক মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ওই সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে পুনরায় গর্ত ভরাট করে দিতে হবে।

সুপারি চাষ পদ্ধতি

সুপারি গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়

সুপারি চাষ পদ্ধতিতে সুপারি গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময় হচ্ছে বর্ষাকালের শুরুর দিকে। এক কথায় জুন–জুলাই মাসে। কেননা এই সময় মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকে, তাই চারা সহজে ধরে এবং আলাদা করে বেশি সেচের দরকার হয় না। 

আর বিকল্প হিসেবে মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস। তবে বর্ষার আগে বা পরে চারা লাগালে সেচ ও ছায়ার দিকে একটু বেশি খেয়াল রাখতে হয়। 

সুপারি চাষ পদ্ধতিতে গাছের রোগ, পোকা ও দমন

(ক) ফল পচা রোগ

রোগের লক্ষণ: 

  • শুরুতে সুপারির বোঁটায় পানি ভেজা ছোট ছোট দাগ দেখা যায়
  • দাগগুলো ধীরে ধীরে বড় হয়ে একসাথে মিশে যায়
  • আক্রান্ত অংশ বাদামী ও ছাই রঙের হয়ে যায়
  • একসময় পুরো সুপারিটা পচে ঝরে পড়ে

প্রতিকার:

  • বর্ষা শুরুর সাথে সাথে—
    • ১% বোর্দো মিক্সার অথবা
    • ১.৫% ম্যাকুপ্রাক্স
  • রোগের মাত্রা অনুযায়ী ১৫–৩০ দিন পরপর ৩–৪ বার ছড়া ও পাতায় স্প্রে করতে হবে
  • আক্রান্ত সুপারি ও ছড়া সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে
  • গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকলে দ্রুত নিকাশের ব্যবস্থা করতে হবে

(খ) কুঁড়ি পচা রোগ

রোগের লক্ষণ:

  • এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ
  • মোচার গোড়ায় কাণ্ডের সংযোগস্থলের নরম অংশে আক্রমণ করে
  • আক্রান্ত টিস্যু প্রথমে হলুদ, পরে বাদামী হয়
  • শেষে পচে কালো হয়ে কুঁড়ি ঝরে পড়ে

প্রতিকার:

  • রোগ দেখা দিলে—
    • আক্রান্ত অংশ চেছে পরিষ্কার করুন
    • সেখানে বোর্দো পেস্ট লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করুন
  • প্রতিরোধের জন্য—
    • ১% বোর্দো মিক্সার অথবা
    • ১.৫% কুপ্রাভিট
  • ১৫–২০ দিন পরপর ৩–৪ বার পাতা ও মোচায় স্প্রে করুন
  • মৃত গাছ, আক্রান্ত মোচা ও ফল সরিয়ে পুড়িয়ে ফেলুন
  • বাগানের সব গাছে স্প্রে করে ভালোভাবে ভিজিয়ে দিন

(গ) মোচা শুকিয়ে যাওয়া ও কুঁড়ি ঝরা

রোগের লক্ষণ:

  • সাধারণত গ্রীষ্মকালে বেশি দেখা যায়
  • মোচার গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত হলুদ হয়ে যায়
  • পরে গাঢ় বাদামী রঙ ধারণ করে
  • পুরো মোচা শুকিয়ে গিয়ে কুঁড়ি ঝরে পড়ে

প্রতিকার: 

  • আক্রান্ত মোচা কেটে পুড়িয়ে ফেলতে হবে
  • লক্ষণ দেখা দিলেই—
    • ডায়থেন এম-৪৫ অথবা
    • নোইন
  • প্রতি লিটার পানিতে ১ চা চামচ হারে মিশিয়ে
  • মোচা বের হওয়ার পর থেকে ১৫ দিন পরপর ৪–৫ বার স্প্রে করতে হবে

(ঘ) মাকড়ের আক্রমণ

আক্রমণের ধরন: 

  • লাল মাকড়
  • সাদা মাকড়
  • হলদে মাকড়

ক্ষতির লক্ষণ: 

  • পাতা থেকে রস চুষে খায়
  • পাতা প্রথমে হলুদ, পরে তামাটে রঙ ধারণ করে
  • ধীরে ধীরে পাতা শুকিয়ে যায়
  • গাছ দুর্বল হয়ে শেষ পর্যন্ত মারা যেতে পারে

প্রতিকার: 

  • ১০ লিটার পানিতে ৫ চা চামচ ক্যালথেন
  • পাতার নিচের দিকে ভালোভাবে
  • ১৫–২০ দিন পরপর ৩–৪ বার স্প্রে করতে হবে

(ঙ) মোচার লেদা পোকা

আক্রমণের লক্ষণ: 

  • পোকা কচি মোচায় ছিদ্র করে ডিম পাড়ে
  • কীড়া মোচার ভেতরে ঢুকে কচি ফুল খায়
  • ভেতরে মল জমে পুরো মোচা নষ্ট হয়
  • মোচা ফুটে না, ফুলও আসে না

প্রতিকার: 

  • আক্রান্ত মোচা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলুন
  • সব গাছে ১০ লিটার পানিতে ৬ চা চামচ সুমিথিয়ন
  • ১৫–২০ দিন পরপর ২–৩ বার মোচায় স্প্রে করুন

(চ) শিকড়ের পোকা

ক্ষতির লক্ষণ: 

  • পোকা গাছের শিকড়ে আক্রমণ করে
  • আগে কচি শিকড়, পরে পুরনো শিকড় খেয়ে ফেলে
  • পাতা হলুদ হয়ে যায়
  • কাণ্ড চিকন হয়, ফলন কমে যায়

প্রতিকার: 

  • লক্ষণ দেখা দিলে—
    • গাছের চারপাশে ১ মিটার ব্যাসার্ধে হালকা কুপিয়ে নিন
    • বাসুডিন ১০জি অথবা ফুরাডান ৩জি
    • প্রতি গাছে ১০ গ্রাম হারে ছিটিয়ে দিন
  • এরপর সেচ দিয়ে মালচিং করুন
  • বছরে ২ বার (বর্ষার আগে ও পরে) করলে ভালো ফল পাওয়া যায়

উপসংহার 

আমি আশা করি যে আপনি সুপারি চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন, এছাড়াও যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা জানার থাকে এই সুপারি চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে তাহলে আমাদের নির্দ্বিধায় আপনি সুপারি চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করবো সুপারি চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আপনাকে সর্বাত্মক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।  

FAQ

প্রশ্নঃ সুপারি চাষের জন্য কোন মাটি সবচেয়ে ভালো?
উত্তরঃ মাঝারি দোঁআশ বা এঁটেল দোঁআশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী। জমিতে পানি যেন জমে না থাকে এবং pH ৫.৫–৭.৫ হলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময় কখন?
উত্তরঃ বর্ষার শুরু, অর্থাৎ জুন–জুলাই মাস সুপারি চারা লাগানোর জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। প্রয়োজনে মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লাগানো যায়।

প্রশ্নঃ সুপারি চারা কত দূরত্বে লাগাতে হয়?
উত্তরঃ বর্গাকার পদ্ধতিতে গাছ থেকে গাছ ৪ হাত দূরে। আয়তাকার পদ্ধতিতে সারি থেকে সারি ৮ হাত এবং গাছ থেকে গাছ ৪ হাত দূরত্ব রাখতে হয়।

প্রশ্নঃ সুপারি চারা লাগানোর আগে গর্তের মাপ কত হওয়া উচিত?
উত্তরঃ গর্তের আদর্শ মাপ হলো ৭০ সেমি × ৭০ সেমি × ৭০ সেমি। এতে শিকড় সহজে বিস্তার লাভ করতে পারে।

প্রশ্নঃ প্রতি গর্তে কী পরিমাণ সার দিতে হয়?
উত্তরঃ প্রতি গর্তে ১০ কেজি পচা গোবর বা কম্পোস্ট এবং ১ কেজি খৈল উপরের মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছে কি ছায়া দরকার?
উত্তরঃ হ্যাঁ। ছোট অবস্থায় সুপারি গাছ তীব্র রোদ ও বাতাস সহ্য করতে পারে না। তাই শুরুতে কলা বা পেঁপে গাছ দিয়ে ছায়া দেওয়া প্রয়োজন।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছে কতদিন পরপর সেচ দিতে হয়?
উত্তরঃ মাটি শুকিয়ে গেলে সেচ দিতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে সাধারণত ৫–১০ দিন পরপর সেচ দেওয়া প্রয়োজন।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছে ফল আসতে কত সময় লাগে?
উত্তরঃ সঠিক পরিচর্যা করলে ৪–৫ বছরের মধ্যে ফল আসা শুরু করে। ফুল আসার পর ফল পাকতে ৯–১০ মাস সময় লাগে।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছের প্রধান রোগ কী কী?
উত্তরঃ ফল পচা রোগ, কুঁড়ি পচা রোগ এবং মোচা শুকিয়ে যাওয়া রোগ সুপারি গাছের প্রধান রোগ।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছের প্রধান পোকা কোনগুলো?
উত্তরঃ মাকড়, মোচার লেদা পোকা এবং শিকড়ের পোকা সুপারি গাছে বেশি ক্ষতি করে।

প্রশ্নঃ সুপারি গাছ কত বছর ফলন দেয়?
উত্তরঃএকটি সুপারি গাছ সাধারণত ১০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত ফলন দিতে পারে, পরিচর্যার উপর নির্ভর করে।

শেয়ার করুন
Moshiur Rahman

I am Moshiur Rahman, an enthusiastic writer on agricultural information and research. I strive to deliver reliable and easy-to-understand information on modern agricultural technology, crop production, agricultural loans, and agricultural development, so that farmers and all those involved in agriculture can benefit.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top